Developmentbd.com

  • ফন্টের আকার বড় করো
  •  ফন্টের ডিফল্ট আকার
  • ফন্টের আকার ছোট করো
হোম >> বাসস্থান এবং পর্যটন ও সৌন্দর্য >> যে পদক্ষেপগুলো নেয়া উচিত >> আমতলীতে পায়রা নদের ভাঙনে ১৩ গ্রাম ঝুঁকিতে

আমতলীতে পায়রা নদের ভাঙনে ১৩ গ্রাম ঝুঁকিতে

ইমেইল প্রিন্ট পিডিএফ

পায়রা নদের তীব্র ভাঙনে বরগুনার আমতলী শহর রক্ষা বাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। এ বছর বর্ষা মৌসুমে পায়রা নদের ভাঙনে শহর রক্ষা বাঁধের সিমেন্টের ব্লক ধসে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যাওয়ায় আমতলী ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট এলাকা পায়রার গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া উপজেলার আরও ১৩টি গ্রাম হুমকির মুখে আছে। এরই মধ্যে এসব গ্রামের দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও কয়েক শ একর কৃষিজমি পায়রার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নতুন করে আবার ভাঙন শুরু হওয়ায় এসব গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে আছে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, অনেক আগে থেকেই পায়রা নদের ভাঙন শুরু হলেও ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর তা ভয়াবহ রূপ নেয়। বিশেষ করে আমতলী ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট এলাকায় নব্বইয়ের দশকে তীব্র ভাঙন শুরু হলে ১৯৯৮ সালে তত্কালীন আওয়ামী লীগ সরকার শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে। তখন ভাঙন কিছুটা রোধ করা গেলেও ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরে ওই বাঁধের ব্লকে ব্যাপক ধস নামে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, সিডরের পর বাঁধ মেরামতের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় ভাঙন তীব্রতর হয়ে বেশ কিছু ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমি পায়রার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এলাকার একমাত্র শ্মশানঘাট, সরকারি খাদ্যগুদামসহ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আমতলী পৌরশহর ছাড়াও উপজেলার বৈঠাকাটা, আংগুলকাটা, গুলিশাখালী, ডালাচারা, জয়ালভাংগা, তেঁতুলবাড়ীয়া, নিদ্রাসকিনা, মৌপাড়া, বগীর বাজার, তালুকদারবাড়ি, বড়জয়ালভাংগা, বালিয়াতলী ও পশুরবুনিয়াসহ ১৩টি গ্রাম ভাঙনের হুমকিতে আছে। এসব এলাকার প্রায় ৩০০ ঘরবাড়ি ও প্রায় ৫০০ একর কৃষিজমি এরই মধ্যে নদের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় এসব এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো ভেঙে যাওয়ায় প্রায় ২০ হাজার একর জমি প্রতিদিন স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে।

আমতলীর পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আমজেদ হোসেন মৃধা জানান, মৌপাড়া ও বগীর বাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নতুন বেড়িবাঁধের কাছাকাছি ভাঙন শুরু হয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে কয়েক হাজার ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদের গর্ভে চলে যাবে।

আড়পাঙ্গাশিয়া ইউপির চেয়ারম্যান এ কে এম নুরুল হক বলেন, ‘বালিয়াতলী ও পশুরবুনিয়া—এই দুই গ্রামের প্রায় অর্ধেকটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার লোকজন প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে থাকে। ভাঙনের তীব্রতা এতটাই যে, এসব গ্রামের বাসিন্দাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।’

আমতলী পৌর এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, সম্প্রতি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান তালুকদার আমতলীর বিভিন্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন। তিনি পায়রা নদের ভাঙন থেকে আমতলীকে রক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

আমতলী পৌরসভার মেয়র নাজমুল আহসান বলেন, আমতলী পৌর এলাকাকে রক্ষার জন্য জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

পাউবো বরগুনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল মজিদ বলেন, ‘আমতলী শহর রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের পরিকল্পনা আছে। এসব বিষয়ে অর্থসহায়তা চেয়ে আমরা একটি প্রকল্প ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। আশা করি অচিরেই তা পেলে কাজ করতে পারব।’

Ref. URL: http://prothom-alo.com/detail/date/2009-11-26/news/21918

 

যে সেক্টরগুলোতে উন্নয়ন দরকার

বিজ্ঞাপণ

Ntv
Sheltech
Immigration
Gplex
Primer Bank
Sel
Pran Foods
Sydney
Banglar Fashion
LiveOutsource
24hourscall
Mozilla Firefox

Bookmark and Share


অধিক তথ্য

বাংলা ফন্টে সমস্যা

বিজ্ঞাপণ

Boromela

Bddl

Bridging