Developmentbd.com

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
Home >> Communication >> Steps Should Be Taken >> ‘কেউ হামাগোরে কথা কনত নেইনি’

‘কেউ হামাগোরে কথা কনত নেইনি’

E-mail Print PDF

বগুড়ার ধুনটের কান্দুনিয়া খালে সেতু না থাকায় ওই এলাকার হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাত্র ৩০ মিটার প্রস্থের ওই খালটির ওপর দিয়ে চলাচলের সুব্যবস্থা না থাকায় উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নবাসীকে এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলার দাড়াকাটা-আনারপুর রাস্তার কান্দুনিয়া গ্রামের এ খালের দুই পাশেই রয়েছে পাকা রাস্তা। এলাকাবাসী জানায়, খালের ওপর সেতু না থাকায় স্থানীয় কৃষকেরা তাঁদের কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। ওই পথে চলাচলকারী স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীসহ পথচারীদের প্রতিদিনই ভোগান্তি পোহাতে হয়। বছরের আট মাস খালটিতে পানি থাকে। স্থানীয় গ্রামবাসীর উদ্যোগে খালের ওপর তৈরি বাঁশের সাঁকোটি দিয়ে রিকশা-ভ্যান, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেলযোগে চলাচলও ভীষণ কষ্টসাধ্য। এ অবস্থায় খালের দুই পাড়ের দাড়াকাটা, চরপাড়া, দক্ষিণ কান্তনগর, নয়াপাড়া, কান্তনগর, আনারপুর, কাদাই, রত্নিপাড়া, পারধুনট, মাদারভিটা ও কচুগাড়িসহ ২০ গ্রামের মানুষের আর্থিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটছে না।

কান্দুনিয়া গ্রামের আশরাফ আলী জানান, ‘হামাগোরে গ্রামোত ম্যেলা মানুষ বাশের কাম কইরা খাই। হামরা জিনিস বানাই ভালো। কিন্তু দাম ভালো পাই না। কারণ ওই জিনিসগুল্লা হাটত নিয়া যায়োনের জন্য খাল পার হওন লাগে। ভ্যানত কইরা সাঁকো দিয়া ন্যাওন যায় না। কান্দে কইরা যে কয়টা নেওন যায়। এ্যাতে বেচাবিক্রি তেমন একটা করন যায় না।’

ভ্যানচালক কেরামত আলী জানান, ‘সাঁকোর ওপর দিয়া মালামাল বোঝাই ভ্যান নেওন যায় না। এ জন্যে খাল পাড়ে আনি মালামালগুলি ভ্যানত থেইকা নামাইয়া মাথায় আর কান্দে কইরা নেওন লাগে। এ্যাতে অনেক সময় লাগে। তাই সময়মতো হাটত যাওয়া যায় না।’

গ্রামের শিল্পী খাতুন বলেন, ‘এলাকার লেতাগোর কাছে অনেক কান্দাকাটি কয়রা কইছি। কেউ হামাগোরে কথা কনত নেইনি। ভোট আইলে শুধু ভোট নেই আর তখন সেতু দিবার চায়।’

উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী জানান, ‘খালটিতে সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার আবেদন করেছি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে খালের পরিমাপ করা হয়েছে। কিন্ত এখন পর্যন্ত সেতু নির্মাণের কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি।’

উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ জানান, ‘সেতুটি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পাওয়া গেলেই কাজ করা হবে।’

Ref. URL: http://prothom-alo.com/detail/date/2009-11-22/news/20894

 

Advertisement

Ntv
Sheltech
Immigration
Gplex
Primer Bank
Sel
Pran Foods
Sydney
Banglar Fashion
LiveOutsource
24hourscall
Mozilla Firefox

Bookmark and Share


More Informations

Bangla Font Problem

Advertisement

Boromela

Bddl

Bridging