Developmentbd.com

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
Home >> Disaster Management >> Steps Should Be Taken >> পরিবেশ অধিদপ্তর যেন ‘নিধিরাম সর্দার’

পরিবেশ অধিদপ্তর যেন ‘নিধিরাম সর্দার’

E-mail Print PDF

সিলেটে পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়টি বিভাগীয় কার্যালয়। পাঁচজন উপপরিদর্শক থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র একজন। পরিবেশবিষয়ক মামলা দায়ের থেকে শুরু করে তদন্ত, সবকিছু তাঁকে একাই সামলাতে হচ্ছে। পাশাপাশি বৃহত্তর সিলেটের অপর তিনটি জেলা সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে কোনো উপপরিদর্শক না থাকায় সেসব জেলার মামলাগুলোও তাঁকে দেখভাল করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়।

অভিযোগ রয়েছে, এই লোকবলসংকট আর পদক্ষেপ গ্রহণে সিদ্ধান্তহীনতা পরিবেশ অধিদপ্তরকে অনেকটা ‘নিধিরাম সর্দার’ করে রেখেছে। তবে এ অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য না করে পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিদর্শক সরদার শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘সিলেটে পাহাড় কাটা হচ্ছে মূলত আবাসনের জন্য। পাহাড় কাটার ফলে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হওয়ারও আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে। এসব কারণেই সমান্য ভূমিকম্পেই সিলেটে ভযাবহ ক্ষতি হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন।

আশঙ্কা যদি এ রকম হয়, তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তর তো বসে থাকার কথা নয়। এ অবস্থার মধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে অভিযান হচ্ছে না কেন? এ প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে উপপরিদর্শক বলেন, ‘বিভিন্ন সময় পাহাড় কাটার কারণে আমরা সংশ্লিষ্ট দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিলে সরকারদলীয় নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের তদবির ও হুমকি-ধামকির শিকার হতে হয়। এ ছাড়া এখানে রাতের বেলা লুকিয়ে পাহাড় কাটা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে এ সময়টায় আমরা বিশেষ নজর দিতে পারছি না। তাই দিনের বেলা যতটুকু দেখছি, তার আলোকেই আমরা মামলাগুলো সাজাচ্ছি এবং তদন্ত করছি।’

সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, অনেক আগে থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পরিবেশ আদালত চালু থাকলে সিলেটে তা স্থাপিত হয় ২০০৫ সালে। পরিবেশ আদালত স্থাপিত হওয়ার পর থেকে ২০০৯ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত পরিবেশ আইনে সিলেট অঞ্চলে ১৩২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৫ সালের ১১টি মামলার মধ্যে নয়টি পাহাড় কাটা, ২০০৬ সালে ১১টি মামলার মধ্যে নয়টি পাহাড় কাটা, ২০০৭ সালে ২৯টি মামলার মধ্যে ১৮টি পাহাড় কাটা, ২০০৮ সালে ৩২টি মামলার মধ্যে ২২টি পাহাড় কাটা এবং ২০০৯ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ৪৯টি মামলার মধ্যে ৩৭টি পাহাড় কাটা অপরাধের জন্য মামলা হয়। এ ছাড়া এ অঞ্চলের বিভিন্ন থানাগুলোতে প্রচলিত আইনের অধীনে পাহাড় কাটা সম্পর্কিত আরও প্রায় ২০টি মামলা রয়েছে।

Ref. URL: http://prothom-alo.com/detail/date/2009-11-15/news/19335

 

Advertisement

Ntv
Sheltech
Immigration
Gplex
Primer Bank
Sel
Pran Foods
Sydney
Banglar Fashion
LiveOutsource
24hourscall
Mozilla Firefox

Bookmark and Share


More Informations

Bangla Font Problem

Advertisement

Boromela

Bddl

Bridging