Developmentbd.com

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
Home >> Education and Manpower >> Related Articles >> প্রাথমিক শিক্ষায় অর্জনের তুলনায় অপচয় হচ্ছে বেশি

প্রাথমিক শিক্ষায় অর্জনের তুলনায় অপচয় হচ্ছে বেশি

E-mail Print PDF

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় অর্জনের চেয়ে অপচয় হচ্ছে অনেক বেশি। পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার আগেই ঝরে পড়ছে প্রায় অর্ধেক শিশু। ঝরে পড়ার এই উচ্চহার শিক্ষার মানের অভাব, সম্পদের অপচয় এবং পুরো ব্যবস্থার অযোগ্যতাকে নির্দেশ করে।

এডুকেশন ওয়াচ ২০০৮ প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি-আরডিইসি ভবন মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা, অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। দৈবচয়ন পদ্ধতিতে জরিপ ও গবেষণার ভিত্তিতে গণসাক্ষরতা অভিযান প্রতিবেদনটি প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০০৫ সালের পর থেকে ভর্তির হারে স্থবির অবস্থা লক্ষ করা যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা শিক্ষার্থীর যেসব প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জনের কথা, সেগুলোর কিছুটা উন্নতি হলেও এখন পর্যন্ত তা গ্রহণযোগ্য মাত্রার অনেক নিচে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া একটা বিরাট বাধা। এটা রোধ করতে সরকারকে আরও মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বেশ ভালো কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার পর শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার মূল কারণ দারিদ্র্য। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে বই। প্রাথমিক শিক্ষার পর শিক্ষার্থীদের অনেকে বই কিনতে পারে না। এ কারণেই সরকার নবম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে বই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছে যাবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘হাওর, পার্বত্য এলাকাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার জন্য সরকার বিশেষ মনোযোগ দেবে। আমরা সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কাছাকাছি মানের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই।’
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ব্যাপার উঠে এসেছে। প্রথমত, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, ঝরে পড়ার হার অনেক বেশি। তৃতীয়ত, বিশেষ কয়েকটি অঞ্চল এখনো শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে। বিশেষকরে সিলেটের মতো এলাকায় শিক্ষার হার নিচে নেমে যাওয়ার ব্যাপারটিও উঠে আসার কথা উল্লেখ করেন তিনি। এসব সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার জন্য তিনি নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন গবেষক সমীর রঞ্জন নাথ। সভাপতিত্ব করেন এডুকেশন ওয়াচের সভাপতি কাজী ফজলুর রহমান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষায় লিঙ্গসমতা আসার বিষয়টি আনন্দের ব্যাপার হলেও এতে আত্মতুষ্টির অবকাশ নেই। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কাজে লিঙ্গসমতার বিষয়ে নজর দেওয়া দরকার।

প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়, দেশে প্রাথমিক শিক্ষা যেভাবেই দেওয়া হোক না কেন, সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে সংযুক্ত রাখা উচিত। প্রতিটি উপজেলার সব ধরনের প্রাথমিক শিক্ষা সমন্বয়ে অধিদপ্তরের পক্ষে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মূল ভূমিকা পালন করতে পারেন।

Ref. URL: http://prothom-alo.com/detail/date/2009-12-03/news/22890

 

Advertisement

Ntv
Sheltech
Immigration
Gplex
Primer Bank
Sel
Pran Foods
Sydney
Banglar Fashion
LiveOutsource
24hourscall
Mozilla Firefox

Bookmark and Share


More Informations

Bangla Font Problem

Advertisement

Boromela

Bddl

Bridging