গত পাঁচ বছরের তুলনায় নড়াইলে মিঠা পানির গলদা চিংড়ি চাষ অর্ধেকে নেমে এসেছে। অনাবৃষ্টি, ভারতীয় নিম্নমানের রেনুর অনুপ্রবেশ, চিংড়ি খাদ্যের আকাশছোঁয়া দাম, বাজারে চিংড়ির উপযুক্ত মূল্য না পাওয়াই এর কারণ বলে জানিয়েছেন চিংড়ি চাষিরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন চিংড়ি চাষ।
নড়াইল জেলার প্রায় ১৫ হাজার ঘেরে দীর্ঘদিন চলে আসছে গলদা চিংড়ির চাষ। প্রথম দিকে মুনাফা আশানুরূপ হওয়ার কারণে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এই শিল্পের সাথে জড়িয়ে পড়েন হাজার হাজার চাষি। বর্তমানে জলবায়ুর পরিবর্তন, ভারতীয় নিম্নমানের রেনুর অনুপ্রবেশ, ফিশমিলের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা কারণে বাধ্য হয়ে ঘের বন্ধ করে দেন প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ খামারি।
চিংড়ির রেনু পোনা উৎপাদনের জন্য নড়াইলে সরকার হ্যাচারি স্থাপন করলেও প্রজেক্ট শেষ হলে তা বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর চলতি মৌসুমে উৎপাদন শুরু হলেও রেনুর মান নিয়ে চাষিদের রয়েছে নানা অভিযোগ। এদিকে ঘের বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বেকারত্বে কাটাতে হচ্ছে স্থানীয় জেলেদের।
চাষিরা বলছেন, চিংড়ি চাষে আবারো সুদিন ফিরিয়ে আনতে হলে রেনু পোনার মান নিয়ন্ত্রণ যেমন জরুরি, একইভাবে জরুরি চিংড়ি খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম কমানো। এ ক্ষেত্রে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে আসবে এমনই আশা তাদের।
-দানিয়েল সুজিত বোস, নড়াইল
Ref. URL: http://www.ittefaq.com/content/2009/11/08/news0571.htm
| Next > |
|---|























