Developmentbd.com

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
Home >> Poverty Removing >> Steps Should Be Taken >> সংশোধিত দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র সংসদে উত্থাপন

সংশোধিত দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র সংসদে উত্থাপন

E-mail Print PDF

জাতীয় সংসদে আগামী দুই বছর (২০০৯-১১) মেয়াদের জন্য তিন লাখ ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ের সংশোধিত দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের (পিআরএসপি) খসড়া পেশ করা হয়েছে।

এর মধ্যে দুই লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা স্থানীয় উত্স থেকে সংগ্রহ করা হবে। আর বাকি এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন-সহযোগীদের কাছ থেকে কর্মসূচির ভিত্তিতে সংগ্রহ করা হবে। এ সময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার প্রাক্কলন করা হয়েছে যথাক্রমে সাড়ে ৫ শতাংশ ও ৬ শতাংশ। গতকাল মঙ্গলবার সংসদে পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার দ্বিতীয় পিআরএসপির সংক্ষিপ্তসার পেশ করেন।

এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে দলিলটি নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, খসড়াটি জাতীয়ভাবে বিবেচনার জন্য প্রথমে সংসদে পেশ করা হবে এবং তারপর উন্নয়ন-সহযোগীদের দেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দলিলটি চূড়ান্ত করা হবে। তবে বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দ্বিতীয় পিআরএসপির পর আর এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা করা হবে না। এই সরকারের মেয়াদেই তৈরি করা হবে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, যার বাস্তবায়নকাল হবে ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ সময় পর্যন্ত।

পরিকল্পনামন্ত্রী সংসদে দ্বিতীয় পিআরএসপি উপস্থাপন করে বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের সময় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়নি। প্রথম পিআরএসপির বাস্তবায়নের মেয়াদ শেষ হয় ২০০৮ সালে। এর কোনো মূল্যায়ন ছাড়াই ২০০৮ সালের অক্টোবর মাসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দ্বিতীয় পিআরএসপি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিতে চায়। সে জন্য ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা ও নীতিমালা বিবেচনা করে দ্বিতীয় পিআরএসপি প্রণয়ন করা হয়েছে।

দ্বিতীয় দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্রে পাঁচটি মূল কৌশল এবং পাঁচটি সহায়ক কৌশল চিহ্নিত করা হয়েছে। পাঁচটি মূল কৌশল হিসাবে বলা হয়েছেদারিদ্র্যবান্ধব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন। পাঁচটি সহায়ক কৌশল হচ্ছেউন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণমূলক ক্ষমতায়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কার্যকরী জনসেবা প্রদান, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিবেশ ও আবহাওয়া পরিবর্তন মোকাবিলা এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে উত্পাদনক্ষমতা বৃদ্ধি

কৌশলপত্রে আগামী দুই বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে দারিদ্র্যবান্ধব প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সামষ্টিক অর্থনীতির যেসব ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ আছে, সেগুলোর উল্লেখ করা হয়। কৌশলপত্রের সংক্ষিপ্তসারে এ সময়ে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধির হার কমে যাওয়া। চ্যালেঞ্জ হিসেবে বলা হয়েছে, জিডিপিতে বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি, রাজস্ব প্রবৃদ্ধিতে স্থিতিশীলতা, রপ্তানি কার্যক্রমে অগ্রগতি, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিতে স্থিতিশীলতা, ক্রমবর্ধমান শ্রমশক্তিকে উত্পাদনশীল খাতে নিয়োজিত রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা বজায় রাখা।

Ref. URL: http://prothom-alo.com/detail/date/2009-11-26/news/6283

 

Advertisement

Ntv
Sheltech
Immigration
Gplex
Primer Bank
Sel
Pran Foods
Sydney
Banglar Fashion
LiveOutsource
24hourscall
Mozilla Firefox

Bookmark and Share


More Informations

Bangla Font Problem

Advertisement

Boromela

Bddl

Bridging